ভুবনেশ্বরী মন্দিরে আপনাকে স্বাগতম
~৮ কিমি দূরত্ব
নিকটতম রেলওয়ে স্টেশন: উদয়পুর রেলওয়ে স্টেশন
~৭৩.৬ কিমি দূরত্ব
নিকটতম বিমানবন্দর: মহারাজা বীর বিক্রম বিমানবন্দর, আগরতলা
~৪ কিমি দূরত্ব
নিকটতম বাস স্টেশন: উদয়পুর বাস স্ট্যান্ড (টিআরটিসি)
ভুবনেশ্বরী মন্দিরটি উদয়পুরের রাজনগরে গোমতী নদীর ডান তীরে অবস্থিত, এবং মহারাজা গোবিন্দ মাণিক্য (১৬৬০ – ৭৫ খ্রিস্টাব্দ) নির্মাণ করেছিলেন।
ইতিহাস সাক্ষী আছে, মহারাজা গোবিন্দ মাণিক্য ১৬৬০ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন কিন্তু পরের বছর তাঁর সৎ ভাই ছত্র মাণিক্য তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। ১৬৬৭ খ্রিস্টাব্দে মহারাজা গোবিন্দ মাণিক্য দ্বিতীয়বার সিংহাসন আরোহণ করেন এবং ১৬৭৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেন। এই সময়কালের মধ্যে তিনি ভুবনেশ্বরী মন্দিরটি নির্মাণ করেন এবং দেবী ভুবনেশ্বরীকে উৎসর্গ করেন। এই মন্দিরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য হল, এটি মহান কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উপন্যাস ‘রাজর্ষি’ এবং বিখ্যাত নাটক ‘বিসর্জন’ এ সাহিত্যিক উল্লেখ খুঁজে পাওয়া যায়।

ভুবনেশ্বরী মন্দির তার সূক্ষ্ম স্থাপত্যের জন্য পরিচিত। মন্দিরের স্থাপত্য বৈশিষ্ট্যগুলি সাধারণত বাংলার চারচালা শৈলীর স্থাপত্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। মন্দিরটি একটি উঁচু প্ল্যাটফর্মের উপর নির্মিত।
মন্দিরের ভিতরের কক্ষটি একটি চাঁদনীর সঙ্গে যুক্ত, দেবতার স্থান এবং চাঁদনী দুটোরই ছাদটি গোলাকার এবং সাদৃশ্য যুক্ত স্তূপ দ্ধারা ভরাট করানো । মন্দিরের আভ্যন্তরীণ কক্ষটির ছাদ পুস্পশোভিত নক্সা দিয়ে সুসজ্জিত। মন্দিরের প্রতিটি কোণায় মোমবাতি রাখার বিশেষ স্তম্ভ আছে । মন্দিরের দেয়ালের সমস্ত দিক রৈখিক অংশ দিয়ে সজ্জিত।
সাদৃশ্য যুক্ত স্তূপ দ্বারা ভরাট করানো। মন্দিরের অভ্যন্তরীণ কক্ষটির ছাদ পুষ্পশোভিত নকশা দিয়ে সুসজ্জিত। মন্দিরের প্রতিটি কোণায় মোমবাতি রাখার বিশেষ স্তম্ভ আছে। মন্দিরের দেয়ালের সমস্ত দিক রৈখিক অংশ দিয়ে সজ্জিত।
Drone IMAGE





Drone Video
Location Map
-
তথ্যসূত্র:
-
ত্রিপুরা যুগ যুগ ধরে; পৃষ্ঠা ১১৪
-
ভারতের রাজ্য: ত্রিপুরা; পৃষ্ঠা ১৭৫
-
ত্রিপুরার মন্দির, মেলা এবং উৎসব – ডঃ গৌতম কুমার বেরা; উপজাতীয় জীবন ও সংস্কৃতি সম্পর্কিত একটি জার্নাল, খণ্ড: XVII সংখ্যা: ০২. অক্টোবর, ২০১২-মার্চ, ২০১৩
