পুজা-খোলা নামক প্রাচীন স্মৃতিস্তম্ভে আপনাকে স্বাগতম

~৩ কিমি দূরে

নিকটতম রেলওয়ে স্টেশন: জোলাইবাড়ি রেলওয়ে স্টেশন

~১২২.৫ কিমি দূরে

নিকটতম বিমানবন্দর: মহারাজা বীর বিক্রম বিমানবন্দর, আগরতলা

~ ৫ কিমি দূরে

নিকটতম বাস স্টেশন: জোলাইবাড়ি বাস স্ট্যান্ড

দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার পশ্চিম পিলাকের পশ্চিম অংশে ঠাকুরাণী টিলার কাছে অবস্থিত প্রাচীন স্তূপ দুটি (টিলা) স্থানীয়ভাবে পূজা-খোলা নামে পরিচিত । এই স্থানটিতে ২০১৮ সালে বৈজ্ঞানিক ধ্বংসাবশেষ অনুসন্ধানের  কাজ করা হয়েছিল ।

বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধনের আগে, এই স্থানটিতে সূর্যের  একটি বিশাল দণ্ডায়মান মূর্তি দৃশ্যমান ছিল। বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের পর, পশ্চিম দিকে প্রবেশদ্বার সহ একটি গর্ভগৃহ এবং একটি প্রদক্ষিণপথ (পরিক্রমা পথ) নিয়ে গঠিত একটি  ইটের কাঠামো উন্মোচিত হয়েছিল। তারপর গর্ভগৃহের ভিতরে সূর্য দেবতার  বিশাল মূর্তিটি স্থাপন করা হয়েছে।মূর্তিটি দন্ডায়মান মুদ্রায় দেখা যায়, যার দুই হাতে রয়েছে পদ্ম, যা মূর্ছিত আকারে রয়েছে।মূর্তির উভয় কানে সু-নকশাকৃত কানের দুল এবং শরীরের নিন্ম অংশে একটি নিপুণভাবে  খোদাই করা পোশাক দিয়ে  মূর্তিটি  অলঙ্কৃতভাবে সজ্জিত। তার বাম এবং ডান দিকে চারটি উপদেবতা রয়েছে।

গর্ভগৃহটি আয়তাকার এবং এর পরিমাপ ৬.৮০ মিটার × ৬.৩৫ মিটার। এই স্মৃতিস্তম্ভে ব্যবহৃত ইটের আকার ২৭ সেমি × ১৮ সেমি × ৫ সেমি থেকে ২৫ সেমি × ১৮ সেমি × ৫ সেমি অবধি  লক্ষ্য করা যায়। কাঠামোর পশ্চিম দিকে একটি প্রবেশপথ তৈরি করা হয়েছে। নিকটবর্তী ঠাকুরানী টিলায়ও সূর্যের অনুরূপ মূর্তি পরিলক্ষিত হয়েছে। সূর্য দেবের বিশাল মূর্তির শৈলীগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে, এই স্মৃতিস্তম্ভের নির্মাণকাল  আনুমানিক ১৩শ শতাব্দী বলে মনে করা যেতে পারে।

Image Gallery

Drone IMAGE

Drone Video

Location Map

তথ্যসূত্র:

১. ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব – একটি পর্যালোচনা (ASI)
২. যুগ যুগ ধরে ত্রিপুরা – নলিনী রঞ্জন রায়চৌধুরী
৩. শিলাক প্রত্নতাত্ত্বিক প্রতিবেদন
৪. এসএসআই অনুসন্ধান (রেকর্ডস)
৫. দক্ষিণ ত্রিপুরার প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান
৬. দক্ষিণ ত্রিপুরার প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান